+88-01750377939 karmojibin91@gmail.com

“আগামী জুন মাসের বাজেটে নারীর ঘরের কাজের স্বীকৃতি এবং জিডিপিতেও তার মূল্য অন্তর্ভুক্ত করা হোক”

-শিরিন আখতার এমপি.

আজ ১৭ মে ২০১৯ কর্মজীবী নারীর উদ্যোগে ‘সিডও সনদ বাস্তবায়নে পোশাক শিল্প কারখানায় নারীর জন্য নিরাপদ ও নারীবান্ধব কর্মপরিবেশ বিষয়ে গবেষণা হতে প্রাপ্ত ফলাফলসমূহ শ্রমিকদের অবহিত করার লক্ষ্যে নারীশ্রমিক জমায়েত’ শীর্ষক একটি সভা অনুষ্ঠিত হয় ৪ নং ওয়ার্ড কমিউনিটি সেন্টার, মিরপুর- ১৩ ঢাকা। উক্ত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিরীন আখতার এম.পি। রায় রমেশের মৃত্যুতে কর্মজীবী নারীর শোক প্রকাশ ও শ্রদ্ধা নিবেদন এর মাধ্যমে শুরু হওয়া এই সভায় কর্মজীবী নারীর নির্বাহী পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) সিতি সালমা খান স্বাগত বক্তব্য রাখেন। আরো বক্তব্য রাখেন জাতীয় শ্রমিক জোট বাংলাদেশ এর সহ সাংগঠনিক সম্পাদক (কেন্দ্রীয় কমিটি) শাহীন আক্তার পারভীন, কর্মজীবী নারীর নির্বাহী কমিটির সদস্য এবং সাবেক সাংসদ সদস্য রাফিয়া আক্তার ডলি এবং ধারণা পত্র পাঠ করেন কর্মজীবী নারী’র পরিচালক সানজিদা সুলতানা। অনুষ্ঠানটির সভাপতিত্ব করেন কর্মজীবী নারীর সভাপতি ড. প্রতিমাপাল-মজুমদার।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিরীন আখতার এমপি. সিডও সনদে নারীর অধিকার ও মর্যাদার কথা বলা হয়েছে উল্লেখ করে নারীর ঘরের কাজের মূল্য যেন আগামী জুন মাসের বাজেটে অন্তর্ভুক্ত করা হয় এবং জিডিপি তে নারীর কাজের মূল্য অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানান। সম্প্রতি নুসরাত ও তানিয়ার সাথে ঘটে যাওয়া ঘটনার কথা বর্ণনা করে তিনি নারীর উপর সকল ধরণের নির্যাতন এর জন্য দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন। নারী শ্রমিকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন আজ আমাদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে, একদিকে কারখানায় কাজ করবো, আরেকদিকে নিজের মর্যাদা বাড়াবো, একদিকে কারখানায় কাজ করবো, আরেকদিকে নায্য মজুরির দাবি করবো, ওভারটাইমের জন্য লড়াই করবো, সুন্দর জীবন গড়বো।

বক্তব্যে শাহীন আখতার পারভীন বলেন, দীর্ঘ ২৭ বছর ধরে কর্মজীবী নারী নারীশ্রমিকের সমঅধিকার ও সমমর্যাদার জন্য কাজ করছে, তারই প্রেক্ষিতে তিনি বলেন, একজন শ্রমিক কাজ করবে মর্যাদার সাথে নিরাপদ কর্মপরিবেশে।

রাফিয়া আক্তার ডলি তার বক্তব্যে বলেন, অভিবাসী শ্রমিক এবং বাংলাদেশের গার্মেন্ট শ্রমিকদের আয়ের উপরেই এই দেশ মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হয়েছে। তিনি সিডও সনদের দাবি এবং কর্মজীবী নারীর দাবি বাস্তবায়নের উপর জোর দিয়ে শ্রমিকদের একত্রিত হওয়ার আহ্বান জানান। বাংলাদেশের সব আন্দোলন শ্রমিক আন্দোলন দিয়ে শুরু হয়েছে বলে উল্লেখ করে তিনি শ্রমিকের উদ্দেশ্যে বলেন, তাদের দায়িত্ব হলো শ্রমের ন্যায্য মূল্য বুঝে নেওয়া। তিনি তাদেরকে সংঘবদ্ধভাবে ট্রেড ইউনিয়ন গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
কর্মজীবী নারীর সভাপতি ড. প্রতিমা পাল- মজুমদার অনুষ্ঠানের সভাপতির বক্তব্যে বলেন, এই পোশাক শিল্প কারখানার উন্নতির জন্য মালিক- শ্রমিক এবং সরকারের কিছু দায়িত্ব রয়েছে, মালিক যখন শ্রমিকের উপর নির্যাতন করে তখন তার মনের উপর বিরূপ প্রভাব পড়ে ফলে কাজের উৎপাদনশীলতা কমে যায়, এই কারণে উৎপাদনশীলতা ভারসাম্যের জন্য শ্রমিকের কাজের ভালো পরিবেশ যতটুকু জরুরি তার চেয়ে বেশি প্রয়োজন মালিকের জন্য।
বার্তা প্রেরক

সানজিদা সুলতানা
পরিচালক
যোগাযোগ: ফারহানা আফরিন তিথি (০১৫৭১৭৯৬৯৮৭)
—–

প্রেসবিজ্ঞপ্তি
তারিখ: ১৭ মে, ২০১৯

Pin It on Pinterest